গাজী ট্যাংক ৫০০ ও ১০০০ লিটার দাম কত ২০২৬ (সর্বশেষ আপডেট)
পানির ট্যাঙ্ক একটি বাড়ির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানো
থেকে শুরু করে জরুরি অবস্থার জন্য পানি সঞ্চয় সব ক্ষেত্রেই এর ভূমিকা
অপরিহার্য। আর গুণগত মান এবং নির্ভরযোগ্যতার কথা উঠলেই বাংলাদেশের বাজারে
গাজী ট্যাঙ্কের নাম চলে আসে সবার প্রথমে।
কিন্তু যখন আপনি আপনার বাড়ির জন্য সঠিক ক্যাপাসিটির ট্যাঙ্কটি বাছাই করতে যাবেন,
তখন আপনার মনে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক যে গাজী ট্যাংক ৫০০ লিটার দাম কত? অথবা গাজী
১০০০ লিটারের মূল্যই বা কেমন? এই পোস্টে আমরা আপনার সেই সব প্রশ্নের উত্তর দেব।
এখানে শুধুমাত্র ৫০০ এবং ১০০০ লিটারের গাজী ট্যাঙ্কের সাম্প্রতিক দাম নিয়েই
আলোচনা করা হবে না, বরং কেন এই ট্যাঙ্কগুলো আপনার জন্য সেরা এবং কেনার আগে কোন
বিষয়গুলো মাথায় রাখা উচিত তার একটি সম্পূর্ণ গাইড তুলে ধরা হবে।
পোষ্ট সূচিপত্রঃ
গাজী ট্যাংক ৫০০ লিটার দাম কত
গাজী গ্রুপের পানির ট্যাংকগুলো তাদের গুণগত মান ও দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহারের
জন্য সুপরিচিত। এদের ৫০০ লিটারের ট্যাংক নিয়ে অনেকেরই আগ্রহ রয়েছে, কারণ
এটি একটি বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড এবং দীর্ঘদিন ধরে পানিকে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ রাখে।
📌আরো পড়ুন👉 গাজী সাবমারসিবল পাম্প দাম কত
গাজী ট্যাংকগুলো তৈরি হয় উচ্চমানের ফুড গ্রেড প্লাস্টিক দিয়ে। এগুলি
খুবই শক্তিশালী এবং টেকসই হওয়ায় দীর্ঘকাল ধরে ব্যবহার করা যায়। সাধারণত
তিন থেকে চার স্তরবিশিষ্ট হওয়ায় ট্যাংকের ভেতরে পানি সহজে গরম হয় না, ফলে
দীর্ঘক্ষণ পানি রাখলেও এর মান অক্ষুণ্ন থাকে।
ট্যাংকের গুণমান এবং ধারণক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে দাম নির্ধারিত হয়।
বর্তমানে, ৫০০ লিটারের গাজী ট্যাংকের দাম ৪,২০০ টাকা। আপনি বাংলাদেশের
যেকোনো অনুমোদিত দোকান থেকে এই দামে ট্যাংকটি কিনতে পারবেন।
গাজী ট্যাংক ৭৫০ লিটার দাম কত
বাসা-বাড়িতে ব্যবহারের জন্য ৭৫০ লিটারের গাজী ট্যাংক একটি চমৎকার
বিকল্প, বিশেষ করে ছোট থেকে মাঝারি পরিবারের জন্য। আকারে অপেক্ষাকৃত ছোট
হলেও এই ট্যাংকটি বেশ শক্তপোক্ত।
অন্যান্য কোম্পানির ট্যাংকের তুলনায় গাজী ট্যাংক গুণগত মানে সেরা হওয়া
সত্ত্বেও এর দাম তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম। সাধারণত ট্যাংকের দাম
প্লাস্টিকের মান এবং রঙের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়, যেখানে রঙের কারণে
দামে সামান্য তারতম্য দেখা যায়।
বর্তমানে, কালো রঙের ৭৫০ লিটার গাজী ট্যাংকের দাম ৬,৪৫০ টাকা। আপনি এই
দামে বাংলাদেশের যেকোনো দোকান থেকে ট্যাংকটি কিনতে পারবেন। তবে মনে রাখা
ভালো, সময় এবং স্থানভেদে এই দামের সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।
গাজী ট্যাংক 1000 লিটার দাম
গাজী ১০০০ লিটারের পানির ট্যাংকটি উন্নতমানের ফুড গ্রেড প্লাস্টিক দিয়ে
তৈরি, যা একে অত্যন্ত দীর্ঘস্থায়ী করে তুলেছে। এটি বড় পরিবারের জন্য
খুবই উপযোগী, কারণ একবার পানি মজুদ করলে তা সারাদিন ব্যবহার করা যায়।
📌আরো পড়ুন👉ওয়ালটন টিভি 32 ইঞ্চি বাংলাদেশ প্রাইস
এই ১০০০ লিটারের ট্যাংকে মাল্টি-লেয়ার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে,
যা চার স্তরবিশিষ্ট। এই স্তরগুলো ট্যাংকের ভেতরের পানিকে দীর্ঘ সময়
ধরে ঠান্ডা ও নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে।
গাজী ট্যাংক ১০০০ লিটারের দাম সময় এবং স্থানভেদে কিছুটা পরিবর্তিত হতে
পারে। বর্তমানে, ১০০০ লিটারের গাজী ট্যাংকের দাম ৮,৫০০ টাকা। আপনি এই
দামে বাংলাদেশের যেকোনো অনুমোদিত দোকান থেকে ট্যাংকটি কিনতে পারবেন।
আশা করি, গাজী ট্যাংক ১০০০ লিটারের দাম সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট
হয়েছে।
গাজী ট্যাংক ১৫০০ লিটার দাম কত
গাজী ট্যাংক ১৫০০ লিটারের দাম ২০২৬ সালে কত, এই বিষয়ে অনেকেই জানতে
চান। দেখা যাচ্ছে যে, বিগত বছরের তুলনায় ২০২৬ সালে গাজী ট্যাংকের দাম
কিছুটা বেড়েছে। এর কারণ হলো, ট্যাংক তৈরির কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি
পেয়েছে।
কাঁচামাল বিদেশ থেকে বেশি দামে কিনতে হওয়ায় কোম্পানিগুলো বাধ্য হয়ে
ট্যাংকের দাম কিছুটা বাড়িয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে গাজী ট্যাংক ১৫০০
লিটারের দাম ১২,৯০০ টাকা। তবে মনে রাখতে হবে, সময় এবং স্থানভেদে এই
ট্যাংকের দামে পরিবর্তন হতে পারে।
গাজী ট্যাংক 2000 লিটার দাম কত
গাজী ট্যাংক ৫০০ লিটার ও ২০০০ লিটারের দাম সম্পর্কে অনেকে জানতে চান।
গাজী ২০০০ লিটারের ট্যাংকটি সাধারণত বড় পরিবার বা বাণিজ্যিক ব্যবহারের
জন্য খুবই উপযোগী। এই ট্যাংকের দাম রং অনুযায়ী কিছুটা ভিন্ন হতে পারে,
কারণ এটি বিভিন্ন রঙে বাজারে পাওয়া যায়।
📌আরো পড়ুন👉আরএফএল সিঙ্গেল গ্যাসের চুলার দাম কত ২০২৬
বর্তমানে, কালো রঙের ২০০০ লিটার গাজী ট্যাংকের দাম ১৭,২০০ টাকা। আপনি
এই দামে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সহজে ২০০০ লিটারের গাজী ট্যাংক
কিনতে পারবেন।
গাজী ট্যাংক ৩০০০ লিটার দাম কত
গাজী ট্যাংক ৫০০ লিটার এবং ৩০০০ লিটারের দাম সম্পর্কে অনেকেরই জিজ্ঞাসা
থাকে। গাজী ৩০০০ লিটারের ট্যাংকটি বড় পরিবার, বিভিন্ন অফিস,
রেস্টুরেন্ট বা যেখানে বেশি পরিমাণে পানি মজুত করার প্রয়োজন, সে সব
স্থানে ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
এটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্যও বিশেষভাবে কার্যকর। ছোট ট্যাংকগুলোর
তুলনায় এই ৩০০০ লিটারের ট্যাংকের দাম তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম। এই
ট্যাংক উন্নতমানের ফুড গ্রেড প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হওয়ায় এটি বেশ
দীর্ঘস্থায়ী। গাজী ৩০০০ লিটারের ট্যাংক বিভিন্ন রঙে পাওয়া যায় এবং
রঙের ওপর ভিত্তি করে দাম কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।
বর্তমানে কালো রঙের ৩০০০ লিটার গাজী ট্যাংকের দাম ২২,০০০ টাকা। আপনি
বাংলাদেশের যেকোনো স্থান থেকে প্রায় এই দামেই গাজী ট্যাংক ৩০০০ লিটার
সহজে কিনতে পারবেন। তবে স্থান ও সময়ভেদে দামে সামান্য পরিবর্তন হতে
পারে।
গাজী ট্যাংকের দাম বেশি কেন?
বাজারে অন্যান্য কিছু ব্র্যান্ডের তুলনায় গাজী ট্যাংকের দাম সাধারণত
একটু বেশি হয়। তবে এই বাড়তি দামের পেছনে কিছু বিশেষ কারণ রয়েছে। সহজ
ভাষায় বলতে গেলে, এই বেশি দামের কারণ হলো গাজী ট্যাংকে কিছু অতিরিক্ত
সুবিধা ও মান নিশ্চিত করা হয়, যা এটিকে অন্যান্য সাধারণ ট্যাংক থেকে
আলাদা করে তোলে এবং এর স্থায়িত্ব বাড়ায়।
📌আরো পড়ুন👉গাজী ২ ঘোড়া সাবমারসিবল পাম্পের দাম কত
১. উন্নত মানের উপাদান: গাজী ট্যাংকে সাধারণ প্লাস্টিকের পরিবর্তে
'ফুড-গ্রেড' প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়। এই প্লাস্টিক খাবার বা পানীয়
সংরক্ষণের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং এতে কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকে
না। এই উন্নতমানের ফুড-গ্রেড প্লাস্টিকের উৎপাদন খরচ সাধারণ
প্লাস্টিকের চেয়ে বেশি হওয়ায় ট্যাংকের দামও বাড়ে।
২. সূর্যের তাপ প্রতিরোধী প্রযুক্তি: গাজী ট্যাংকে সূর্যের অতিবেগুনি
রশ্মি (UV Ray) প্রতিরোধী উপাদান ব্যবহার করা হয়। ফলে সাধারণ ট্যাংকের
মতো এটি রোদে খুব দ্রুত দুর্বল হয়ে ফেটে যায় না বা রং পরিবর্তন করে না।
এই প্রযুক্তি ট্যাংককে দীর্ঘস্থায়ী এবং মজবুত রাখে, কিন্তু এর জন্য
উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়।
৩. একাধিক স্তর: গাজী ট্যাংকগুলো সাধারণত তিন থেকে চারটি স্তরে তৈরি
করা হয় এবং প্রতিটি স্তরেরই নির্দিষ্ট কাজ রয়েছে:
- এই স্তরটি সূর্যের তাপ শোষণ করে ট্যাংককে সুরক্ষা দেয়।
- এটি তাপ নিরোধক বা ইনসুলেটর হিসেবে কাজ করে। এর ফলে বাইরের তাপমাত্রা যতই বাড়ুক না কেন, ট্যাংকের ভেতরের পানি তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা থাকে।
- এই স্তরটি বিশেষভাবে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং শ্যাওলা-প্রতিরোধী হওয়ায় এটি পানিকে পরিষ্কার রাখে এবং ক্ষতিকারক জীবাণু জন্মাতে বাধা দেয়।
- এই একাধিক স্তর এবং বিশেষ প্রযুক্তির ব্যবহারের কারণে ট্যাংকের উৎপাদন খরচ স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেড়ে যায়, যার ফলে এর চূড়ান্ত দামও বেশি হয়।
৪. ব্র্যান্ডের সুনাম এবং বিশ্বাসযোগ্যতা: গাজী বাংলাদেশে বহু বছর ধরে
একটি অত্যন্ত প্রতিষ্ঠিত এবং বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত।
দীর্ঘদিন ধরে তারা তাদের পণ্যের গুণগত মান বজায় রেখেছে, যার ফলে
গ্রাহকদের মধ্যে তাদের প্রতি গভীর আস্থা তৈরি হয়েছে। যখন কোনো পণ্যের
ওপর মানুষের এমন ভরসা তৈরি হয়, তখন তারা একটু বেশি মূল্য দিতেও পিছপা
হন না। এই ব্র্যান্ড ভ্যালু বা সুনামও দাম বেশি হওয়ার পেছনে একটি বড়
কারণ।
সংক্ষেপে বলা যায়, গাজী ট্যাংকের দাম বেশি হওয়ার মূল কারণ হলো এর
ব্যবহৃত উন্নত কাঁচামাল, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দীর্ঘস্থায়ী গুণগত মান,
যা এটিকে বাজারে থাকা অন্যান্য সাধারণ ট্যাংকের থেকে আলাদা ও বিশেষ করে
তোলে।
গাজী ট্যাংকের সুবিধা
গাজী ট্যাংক অত্যন্ত উন্নত মানের ফুড গ্রেড প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি করা
হয়েছে, যার ফলে এর ভেতরে পানি বিশুদ্ধ থাকে। গাজী ট্যাংকের বেশ কিছু
গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা নিচে তুলে ধরা হলো:
টেকসই ও মজবুত: গাজী ট্যাংকের প্রধান সুবিধা হলো এর অসাধারণ
স্থায়িত্ব। এটি উন্নতমানের প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হওয়ায় সহজে ভাঙে না
বা ফেটে যায় না। সূর্যের তীব্র তাপ, ঝড়-বৃষ্টি বা অন্যান্য প্রতিকূল
আবহাওয়াতেও এটি সহজে নষ্ট হয় না, ফলে একবার কিনলে দীর্ঘদিন ধরে
নিশ্চিন্তে ব্যবহার করা যায়।
মাল্টি লেয়ার প্রযুক্তি: গাজী ট্যাংক তৈরিতে চারটি স্তরবিশিষ্ট
প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়, যা একে অত্যন্ত মজবুত ও টেকসই করে তোলে। এই
অতিরিক্ত স্তরগুলো ট্যাংকের ভেতরের পানিকে ঠান্ডা রাখতে এবং দীর্ঘ সময়
ধরে পানির গুণগত মান অক্ষুণ্ণ রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী।
UV রেজিস্ট্যান্ট: সাধারণ প্লাস্টিকের ট্যাংকগুলো রোদে থাকলে দ্রুত রঙ
ফিকে হয়ে দুর্বল হয়ে যায়। কিন্তু গাজী ট্যাংকে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি
(UV Ray) প্রতিরোধী উপাদান ব্যবহার করা হয়। এর ফলে এটি দীর্ঘদিন রোদে
থাকলেও এর গুণগত মান অক্ষুণ্ণ থাকে এবং ট্যাংকের ভেতরের পানিও সহজে গরম
হয় না।
লিকেজ প্রতিরোধ: গাজী ট্যাংকে যে প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয় তা লিকেজ
প্রতিরোধী। এর ফলে দীর্ঘদিন ব্যবহারের পরেও ট্যাংক থেকে পানি চুইয়ে
পড়ার কোনো সম্ভাবনা থাকে না, যা গ্রাহকদের নিশ্চিন্তে ব্যবহারের সুযোগ
করে দেয়।
শ্যাওলা এবং ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী: গাজী ট্যাংকের অভ্যন্তরে শ্যাওলা
বা ব্যাকটেরিয়া জন্ম নিতে পারে না। কারণ এটি তৈরির সময় বিশেষ
প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যা ভেতরের পরিবেশকে শ্যাওলা-মুক্ত রাখে।
ফলস্বরূপ, পানি দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার এবং স্বাস্থ্যসম্মত থাকে।
পরিষ্কারের সুবিধা: গাজী ট্যাংক পরিষ্কার করা নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে
না! ট্যাংকের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে কষ্ট করে পরিষ্কার করার ঝামেলা এড়াতে
এতে এমন বিশেষ ডিজাইন ও উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে, যা খুব সহজে ভেতর
থেকে পরিষ্কার করা যায়। এতে আপনার সময় ও শ্রম দুটোই বাঁচবে।
মনোমুগ্ধকর ডিজাইন: গাজী ট্যাংকের ডিজাইন খুবই আকর্ষণীয়। বিভিন্ন
লিটারের ট্যাংকগুলো দেখতে দারুণ এবং এর বিশেষ রঙগুলো গ্রাহকদের সহজেই
নজর কাড়ে।
টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী: আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে গাজী ট্যাংক
দীর্ঘস্থায়ী। এটি তৈরি করতে উচ্চ মানের প্লাস্টিক এবং উন্নতমানের
প্রতিটি উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে, যা এর স্থায়িত্বকে নিশ্চিত করে।
নানান আকার ও ধারণক্ষমতা: গাজী ট্যাংক বাজারে বিভিন্ন আকার ও
ধারণক্ষমতায় পাওয়া যায়। আপনার যদি ছোট পরিবারের জন্য দরকার হয়, তার
জন্যও ট্যাংক আছে। আবার বড় ভবন বা কারখানার জন্য বিশাল আকারের ট্যাংকও
পাবেন। ফলে, আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সাইজের ট্যাংক খুব
সহজেই বেছে নিতে পারবেন।
স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ: এই ট্যাংকে যেহেতু শ্যাওলা বা জীবাণু জন্মাতে
পারে না, আর এটি তৈরি হয়েছে উন্নতমানের ফুড-গ্রেড প্লাস্টিক দিয়ে,
তাই এর ভেতরে রাখা পানি পান করার জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ। আপনার
স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে এটি তৈরি।
সব মিলিয়ে বলা যায়, গাজী ট্যাংক শুধু জল রাখার একটি পাত্র নয়। এটি
স্থায়িত্ব, নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যের দিক থেকে একটি অত্যন্ত
নির্ভরযোগ্য সমাধান।
লেখকের শেষ মতামত
আজকের আর্টিকেলটিতে গাজী ট্যাংক ৫০০ লিটার দাম কত ও গাজী ট্যাংক 1000
লিটার দাম সম্পর্কে সঠিক তথ্য শেয়ার করেছি। আজকের দাম অনুযায়ী গাজী
ট্যাংক এর দাম আপনাদের জানিয়েছি। গাজী ট্যাংক ৫০০ লিটার এবং ১০০০
লিটারের দাম মূলত বাজারে ৪,২০০ টাকা থেকে ৪,৬০০ টাকা এবং ৮,৪০০ টাকা
থেকে ৯,০০০ টাকা-এর মধ্যে ওঠানামা করে।
তবে সময় ও স্থানভেদে এই ট্যাংক এর দাম কিছুটা কমবেশি হতে পারে। সঠিক
এবং সর্বশেষ দাম জানতে আপনার নিকটস্থ গাজী ট্যাংকের অনুমোদিত ডিলার বা
বড় হার্ডওয়্যারের দোকানে খোঁজ নেওয়া উচিত। অনলাইনেও বিভিন্ন অফার বা
ডিসকাউন্ট থাকতে পারে। কেনার আগে একাধিক জায়গা থেকে দাম যাচাই করে
নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

আরিফুল প্লাস এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url